কোয়াডে যেকোনোভাবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে যথেষ্ট খারাপ করবে বলে ঢাকায় চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং যে মন্তব্য করেছিলেন, তা নিয়ে দেশ-বিদেশে সীমিত পরিসরের একটা কূটনৈতিক আলোড়ন দেখা গেছে। মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা, ওয়াশিংটন ও বেইজিং থেকে ওই মন্তব্যের পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়। দিল্লি থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখানো হলেও বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের পাল্টা জবাবটি এসেছে একজন ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্ন সূত্রে। সোজা কথায়. চীনা রাষ্ট্রদূতের কথায় সবাই একটু নড়েচড়ে বসেছেন। চীনা রাষ্ট্রদূত তাঁর কথায় যে হুঁশিয়ারির সুর ছিল, তা হালকা করার চেষ্টায় একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পররাষ্ট্রনীতির প্রতিনিধিত্ব করে যে পত্রিকা, সেই গ্লোবাল টাইমসের নিবন্ধ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টি মোটেও হালকা হয়নি। বলা চলে, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বরং রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের মন্তব্যের যৌক্তিকতা প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টার অভিযোগের ইঙ্গিতর্পূণ জবাবে ...