একজন মন্ত্রীর ভাষায় যে শহরকে আকাশ থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস বা প্যারিসের মত দেখা যায়, সেই ঢাকার আদি বসতির একটি অংশে রাসায়নিক আগুনে ৬৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর দুর্ঘটনার দায় কার তা নিয়ে জোর বিতর্ক চলছে। টিভি-রেডিও-পত্রিকার মত প্রতিষ্ঠিত প্রথাগত গণমাধ্যমে যতটা বিচার-বিশ্লেষণ চলছে তার চেয়ে অনেক বেশি এবং তীক্ষ্ণ বিতর্ক চলছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে। এসব বিতর্কে স্পষ্টতই একধরণের হতাশার দীর্ঘশ্বাস শোনা যায়, যার মূল কথা হচ্ছে এই কান্না-কষ্ট-ক্রোধ অচিরেই সংবাদ শিরোনাম থেকে হারিয়ে যাবে এবং রাসায়নিক বোমার ওপর বসবাসও আগের মতই চলতে থাকবে। ২২ তারিখে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যাক্তিদের যে বক্তব্যটি শিরোনাম হয়েছে তা হচ্ছে ‘ পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক গুদাম সরানো হবে ‘ । ২০১০ সালের জুন মাসের ৩ তারিখে নিমতলীর দূর্ঘটনার পরও ওই একই শিরোনাম পত্রিকাগুলোতে ছাপা হয়েছিলো। সে সময়ের কাগজ ঘেঁটে দেখা গেল তখনও ‘ সব আহতের চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে সরকার ‘ এবং ‘ নিহতদের প্রত্যেকের জন্য ১ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ‘ দেওয়ার খবর ছেপেছিল পত্রিকাগুলো। তখনও আগুন নেভাতে পানির সংকট এবং দমকল বাহিনীর প্রয়োজনীয় সবধরণের সরঞ্জাম না থ...