সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ব্রেক্সিট চুক্তি নাকচের পর নির্বাচন নাকি গণভোট

ইউরোপের সঙ্গে বিচ্ছেদের চুক্তির প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ব্রিটেনের পার্লামেন্টারি ইতিহাসের বৃহত্তম ব্যবধানে পরাজয়ের রেকর্ড করেও পদত্যাগ করেননি। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সেটাই ঘটত। কিন্তু, ব্রিটেন এবং ইউরোপের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সবাই একমত যে সময়টা স্বাভাবিক নয়। বিরোধী দল তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেও পাঠকের হাতে এই কাগজ পৌঁছানোর সময়েও প্রধানমন্ত্রী পদে সম্ভবত তিনি বহাল থাকছেন। সময়টা যে স্বাভাবিক নয় তার প্রধান লক্ষণ, ব্রেক্সিট প্রশ্নে ব্রিটেনের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলে নিজেদের মধ্যেই কোনো মতৈক্য নেই। যাঁরা ইউরোপের সঙ্গে যেকোনো মূল্যে বিচ্ছেদ চান, তাঁদের সঙ্গে যাঁরা বিচ্ছেদ চান না—এই পরস্পরবিরোধী এমপিরা পার্লামেন্টের না ভোটের লবিতে ঢুকেছেন প্রায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। একইভাবে, ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদের বাইরে সারা দিন ধরে দুই পক্ষের যে হাজার হাজার সমর্থক পরস্পরবিরোধী স্লোগানে গলা ফাটিয়েছেন, তাঁরা হঠাৎ করে একসুরে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। তবে, মিস মের চুক্তির বিরুদ্ধে এতটা জোরালো মতৈক্য হলেও তার বিকল্প কী, সে প্রশ্নের উত্তরে বিভাজন কিন্তু একটুও কমেনি। ক্ষমতাসীন টোরি পার্টির ১১৮ জন এম...