নিম্নবিত্তরা স্বপ্ন দেখার ফুরসৎ পায় না। কেননা, দু:স্বপ্ন সারাক্ষণ তাদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। কিন্তু, মধ্যবিত্ত স্বপ্ন দেখে, স্বপ্নবিলাসেই তার ভরসা। স্বপ্ন তাকে এগিয়ে চলার উৎসাহ দেয়, উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগুতে সাহায্য করে। আগে আমরা স্বপ্ন দেখার অবকাশ ছিল না, তাই আমরা ছিলাম নিম্ন-আয়ের দেশ। এখন আমরা স্বপ্নবাজ এবং আমাদের দেশটাও তাই তরতরিয়ে মধ্যম আয়ের গোত্রভুক্ত দাবি করে উৎসবও করে ফেলেছি। আর, মধ্যম আয়ের দেশ হলে পারমাণবিক বিদ্যূৎের স্বপ্ন দেখবো না, তা কি হয়? রুপপুরের পরমাণু বিদ্যূৎ কেন্দ্রের স্বপ্ন রুপায়ণ তাই আমাদের উন্নয়নের অগ্রাধিকার পাওয়া প্রকল্প। ইউরোপের দেশগুলো যখন ঝুঁকি বিবেচনায় পরামাণু বিদ্যূত থেকে সরে আসছে, জার্মানির মত ধনী দেশ ২০২২ এর মধ্যে চালু পরমাণু বিদ্যূত কেন্দ্রগুলো বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তখন আমরা পরমাণু বিদ্যূতকেই ভবিষ্যতের অংশ ভাবছি। এমনকি, এতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন হওয়ার পরও আমরা দ্বিতীয় প্রকল্প হাতে নিতেও পিছপা হইনি। মর্যাদার কাছে টাকা যে কোনো বিষয় নয় সেটা আমাদের উন্নয়ন তত্ত্বের একটা বড় বৈশিষ্ট্য। তাই, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্পণ্য করা মানায় না। রুপপুর প্রক...