রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যাকান্ড শরণার্থী প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তার বিষয়টিকে আবারও আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে। তবে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে হত্যার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত ও বিচারের বিষয়টি। তারপর আলোচিত হচ্ছে শিবিরগুলোর নিরাপত্তার প্রশ্ন। চার বছরেও প্রত্যাবাসনের যে আলোচনা শুরুই করা যায়নি, সে বিষয়ে শিগগিরই কিছু আশা করারও কোনো কারণ নেই। আবার মুহিবুল্লাহ হত্যার প্রতিক্রিয়ায় দেশের ভেতরে-বাইরে যেসব আলোচনা হচ্ছে, তা-ও যে প্রত্যাবাসনের সহায়ক হবে, এমন নয়; বরং তার উল্টোও হতে পারে। মুহিবুল্লাহ হত্যার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই নানাধরণের কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরে এমন একটি ধারণা তৈরির চেষ্টা হচ্ছে,.যেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে, নয়তো তাদের এক বা একাধিক সংগঠিত গোষ্ঠী সশস্ত্র লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দ্বিতীয় ভাষ্যটি বস্তুত মিয়ানমারের জান্তা সরকারের অপপ্রচারের সঙ্গে তুলনীয়। আর সংঘবদ্ধ অপরাধে যে বা যাদের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ, তারা যে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া তা করতে পারেন না, সে কথা আমরা ভুলে যাচ্ছি। অভিযোগুলো যে সবসময় সত্য হয় না বা উদ্দেশ্যপ্রণোদি...