সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

গণমাধ্যম লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গণমাধ্যম সংস্কারে প্রতিবিপ্লবের প্রশ্ন

সুপরিচিত চিন্তক ও লেখক ফরহাদ মজহার৩ ও ৪ জুলাই দুই কিস্তিতে প্রস্তাবিত জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ অঙ্গীকারে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংস্কার প্রসঙ্গের অর্ন্তভুক্তির আবশ্যকতা সম্পর্কে আমার একটি নিবন্ধের বরাতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। শুরুতেই তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই যে তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কে আমার পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।  তিনি আমার বক্তব্যের যে অংশটি বিশেষভাবে উদ্ধৃত করে তা সমর্থন করেছেন, সেখানে আমি লিখেছি:  ‘গণতন্ত্রকে প্রাণবন্ত ও কার্যকর করে তোলায় মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে শুধু রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমের স্বায়ত্তশাসন যথেষ্ট নয়। ব্যক্তি খাতে গণমাধ্যমে কালোটাকার দৌরাত্ম্য, প্রভাবক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং নৈতিক মানের অনুপস্থিতির মতো বিষয়গুলোতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ প্রয়োজন।’ এরপরই তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ’তবে তিনি লিবারেল ইকোনমিক পলিসি নামে পরিচিত ‘মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগ’কে যে ইতিবাচক চোখে দেখেন এবং নির্বিচার গ্রহণ করেন, আমি সেভাবে দেখি না, গ্রহণও করি না।’  বাজারব্যবস্থা বিকাশের সঙ্গে গণতন্ত্রের আর্বিভাব ও বিকাশের সম্বন্ধ আছে উল্...

জুলাই সনদে কী থাকছে, কী থাকা উচিত

  জুলাই ঘোষণাপত্র বা সনদ ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছে। বিশেষ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেসব গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, তার পটভূমিতে এই সনদের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কিছুটা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। তবে সনদে শেষ পর্যন্ত কী কী থাকবে, সে সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ধারণা পেতে আমাদের হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষায় থাকতে হবে। গত ৬ জুন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে  জুলাই মাসেই একটি ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করে জাতির সামনে উপস্থাপনের আশাবাদ প্রকাশ করছেন। তাঁর বর্ণনায় ’এই জুলাই সনদ হলো একটি প্রতিশ্রুতি। একটা জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছে সেগুলোর মধ্য থেকে রাজনৈতিক দলগুলো যে কয়টিতে একমত হয়েছে তার তালিকা থাকবে এই সনদে। জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে তারা জাতির কাছে সেগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করবে।” আমরা জানি, গণ–অভ্যূত্থানপ্রসূত অর্ন্তবর্তী সরকার সম্ভাব্য সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ১১টি বিষয়ে কমিশন গঠন করেছিল। তব...

গণমাধ্যম যেভাবে অদৃশ্য প্রভাবমুক্ত গণমাধ্যম হবে

শেখ হাসিনার স্বৈরতান্ত্রিক শাসন অবসানের ছাত্র–জনতার আন্দোলনে অন্তত তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন বলে  নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতের সংখ্যা অনেক। তবে নিশ্চিত করে কোনো সংখ্যা কোনো কর্তৃপক্ষীয় সূত্র বা সংগঠন এখনও জানাতে পারেনি। সাংবাদিকেরা প্রধানত: পুলিশ ও সরকারসমর্থক অস্ত্রধারীদের হামলার শিকার হয়েছেন। অন্দোলনের সব শহীদ ও আহতদের মতোই সাংবাদিক হত্যা ও জখমের ঘটনাগুলো নিন্দনীয় এবং এগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও প্রয়োজন।  তবে দু:খজনক অধ্যায় হলো, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাংবাদিকেরা আন্দোলনকারীদের ক্ষোভের লক্ষ্য হয়েছেন। কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার অফিস আক্রান্ত হয়েছে, তাদের সম্প্রচার ও প্রকাশনা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। খুলনায় প্রেসক্লাব পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি জায়গায় প্রেসক্লাবে হামলা ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা হয়েছে। এসব ঘটনা কেন ঘটলো, গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীরা কেন এসব জায়গা রোষের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলো, সেই আত্মজিজ্ঞাসা খুবই জরুরি। পেশাদার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় ঝুঁকি আছে, এ কথা সত্য। তবে সেই ঝুঁকির কারণ ক্ষমতাধরদের জবাবদিহি আদ...

ভিসা নিষেধাজ্ঞা গুরুতর, সাংবাদিক নির্যাতন কী

একই দিনের দুটি সংবাদ শিরোনাম, ’৯ মাসে ২১৭ সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার: আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ এবং ’পিটার হাসের বক্তব্য স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ, সমাবেশে সাংবাদিকনেতারা’। দুটো খবরই সাংবাদিকতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে। তবে একটি খবর, যাতে আছে সেই সব সাংবাদিকদের কথা, যাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে শারীরিক ক্ষতি অথবা গ্রেপ্তার ও মামলার কারণে হয়রানির শিকার হয়েছেন; আর অন্যটিতে ভবিষ্যতে কোনো গণমাধ্যমকর্মী যুক্তরাষ্ট্র যেতে চাইলে ভিসা না পাওয়ার কারণে তিনি বা তাঁর যে সম্ভাব্য ক্ষতি হতে পারে, তা নিয়ে আশঙ্কা। সাংবাদিকদের নিপীড়ন–নির্যাতন ও হয়রানির বিষয়ে গবেষণার কাজ ও তা প্রকাশের দায়িত্ব পালন করেছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার দুশ্চিন্তায় প্রতিবাদী হয়েছেন সাংবাদিকদের অপেক্ষাকৃত নতুন একটি প্লাটফর্ম জাস্টিস ফর জার্নালিস্ট।  বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিয়মিত কাজের একটি হচ্ছে বিভিন্ন নিপীড়ন–নির্যাতন ও হয়রানির মত অধিকার লংঘনের তথ্য সংগ্রহ করা এবং তারই অংশ হিসাবে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ পেশা সাংবাদিকতার ওপর তাদের আলাদা মনোযোগ। তাদের প্রকাশিত হি...

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে সংবাদমাধ্যমের অভাবনীয় সাহসিকতা

প্রেসিডেন্ট সংবাদ সম্মেলন করছেন এবং তার সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়ে টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকরা প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মিথ্যাচার ধরিয়ে দিচ্ছেন, এমন দৃশ্য বিরল। ক্ষমতাধর ব্যাক্তিদের মাননীয় সম্বোধনে অভ্যস্ত অনেকের কাছে এটি অবিশ্বাস্য মনে হলেও বিষয়টি কিন্তু একেবারে নতুন নয়। তবে, প্রচন্ড উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা নিয়ে যখন উদ্বেগ-উৎকন্ঠা তুঙ্গে তখন এরকম কিছু যে ঘটবে তা ভাবা কঠিন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার এমনটি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা কতটা গুরুত্বর্পূণ তা আবারও প্রমাণিত হলো।   নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক চ্যানেল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোভিড ১৯ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন সরাসরি সম্প্রচার হঠাৎ হঠাৎ বন্ধ করে দিত। তখন তাঁদের যুক্তি ছিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রচারের সুযোগ নিচ্ছেন। এবার অবশ্য আরও একটি পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেসব গণমাধ্যমকে তাঁর মিত্র এবং অনুগত ভাবতেন, তাঁরাও এবার তাঁর সব কথা হুবহু প্রচার করছে না। গত এক দশক ধরে ফক্স নিউজ চ্যা...

করোনাকালে সাংবাদিকতার বিপদ ও রুপান্তর

করোনাভাইরাস মহামারির ছোবল বিশ্বের কোনো দেশ এবং কোনো জনগোষ্ঠীকেই যেহেতু ছাড় দেয় নি, সেহেতু গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতাও এখন এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। অন্য সবকিছুর মতই গণমাধ্যমও আর তার ছকবাঁধা নিয়মে চলছে না। লকডাউন, কারফিউ কিম্বা চলাচলে নিয়ন্ত্রণের কারণে ছাপা কাগজ বিতরণ ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টির কারণে পত্রিকার প্রচারসংখ্যা কমেছে। কিন্তু, অনলাইনে পাঠকসংখ্যা বেড়েছে নাটকীয় হারে। টিভির দর্শকসংখ্যাও বেড়েছে। শ্রোতারা আবার রেডিওমুখী হয়েছেন। পাঠক-দর্শক-শ্রোতার চাহিদা পূরণে সাংবাদিকতা এখন অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বর্পূণ ও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক সংকট এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময়ে এরকম পাঠক-শ্রোতাদের আগ্রহকে ক্রাইসিস রিডিং /লিসেনিং বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে।   মানুষ যখন তার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে আস্থা রাখার মত তথ্য ও বিচার-বিশ্লেষণ আশা করে তখন সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে সেই প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা যে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে – এবিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু, এই প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যম যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে তাও নজিরবিহীন। মোটাদাগে এই চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে : নানা...

মহামারির প্রস্তুতি নিয়ে লুকোচুরি ও গণমাধ্যম

বৃহস্পতিবার ঘুম থেকে উঠেই দেখি ঢাকার এক বন্ধু আমাকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির কপি পাঠিয়েছেন। চিঠির বিষয়বস্তু তখনও ঢাকার কোনো গণমাধ্যমে খবর হিসাবে আসেনি। খবরটি হচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিহত বিষয়ে প্রচারণা/ গুজব মনিটরিং করার জন্য ১৫ জন উপ ও সহকারী সচিব এবং একজন সিস্টেম অ্যানালিস্টকে দেশের ৩০টি বেসরকারী টিভি চ্যানেলের দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। চিঠিটি থেকে জানা গেল যে মন্ত্রণালয়ের করোনা প্রতিরোধকরণে প্রচার প্রচারণা সংক্রান্ত কমিটি গত ২৪ মার্চ বৈঠক করে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার আলোকেই এসব দায়িত্ব বন্টন। মনিটরিংয়ে গুজব চিহ্নিত হলে তা বন্ধ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানোর যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল, স্বভাবতই তা সাংবাদিকদের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি করে। দিন পেরোনোর আগেই বিরুপ প্রতিক্রিয়ার মুখে চিঠিটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তবে, নজরদারির জন্য একটি সেল যে থাকছে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে। যেসব চ্যানেলের ওপর নজরদারির সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলোর প্রায় সবই সরকারঘনিষ্ঠ। সরকারসমর্থক চ্যানেলগুলোর ওপর নজরদারির উদ্যোগ প্রত্যাহারের প্রকাশ্য ঘোষণা যদি একটি নিরীহ ভুল শুধরে নেওয়ার আন্তরিক প্র...

বলতে না পারা গণমাধ্যমের বিকাশ

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বর্তমান ছবিটি কেমন তার উত্তর দু ‘ ভাবে দেওয়া যায়। একটি হচ্ছে – এমন বিকাশ অভূতর্পূব। যেন মাও সে তুংয়ের ‘ শত ফুল ফুটতে দাও ‘ তত্ত্বটি এখানে নিষ্ঠার সঙ্গে অনুসরণ করা হয়েছে। কয়েক ডজন টেলিভিশন চ্যানেল, ডজনখানেকের বেশি এফএম রেডিও, কয়েকশ জাতীয় দৈনিক, হাজারের ওপর আঞ্চলিক পত্রিকা এবং অসংখ্য অনলাইন পোর্টাল। এই উত্তরটি সরকার এবং ক্ষমতাসীন দল বা জোটের নেতারা বেশ জোরালো গলায় প্রচার করে বোঝাতে চান - এই সংখ্যাধিক্যই হচ্ছে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রমাণ। একই কথা বা ভাষ্যের বহুল পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে মানুষকে গণমাধ্যম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করার কৌশল হিসাবে এটি কতটা কার্যকর তা বেশ ভালোভাবেই অনুভূত হচ্ছে। গণমাধ্যমের হালচাল সম্পর্কে দ্বিতীয় জবাবটি হচ্ছে গণমাধ্যম গভীর সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে। এই ব্ক্তব্যটি মূলত গণমাধ্যমের ভেতরের লোকেরাই সবচেয়ে বেশি বলে থাকেন। সংকটের কথা শুধু সংবাদসম্পর্কিত তা নয় – বিনোদন এবং শিল্পমাধ্যম হিসাবে যেসব প্রতিষ্ঠান চালু আছে তাঁদেরও কথা। সম্পাদকরা বলছেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে – যে কথা লিখতে চাই তা লিখতে পারি না। সংবাদপত্র প্রকাশকরা বলছ...

বাম জোটের গণশুনানি ও সাংবাদিকতার নতুন পাঠ

শুক্রবার বাম জোটের গণশুনানিতে উঠে আসা প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা নির্বাচন কতটা অবাধ , সুষ্ঠূ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে   তার একটি গুরুত্বর্পূণ দলিল। বাম জোটের প্রার্থীরা শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। কিন্তু , তারপরও তাঁদেরকে যেধরণের পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে তা অবিশ্বাস্যভাবে গুরুতর। ন্যূনতম গণতন্ত্রেও এধরণের অভিজ্ঞতা জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার ঝড় তোলার কথা। কিন্তু, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে একধরণের নির্লিপ্ততা লক্ষ্যণীয়। গণমাধ্যম নিজেরা নির্বাচনের যে চিত্র তুলে ধরতে পারেনি সেটি প্রার্থীদের জবানিতেও তুলে ধরার ক্ষেত্রে কার্পণ্য বিস্ময়কর। এটা কী সংর্কীণতা না স্বনিয়ন্ত্রণ ( সেলফ - সেন্সরশিপ )? নাকি অন্যকিছূ ? দলীয় আনুগত্য অথবা অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে পক্ষপাত ? নাকি কোনোধরণের ভীতি গণমাধ্যমকে পেয়ে বসেছে? একটি শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি পত্রিকা মোটামুটি বিশদ বিবরণসম্বলিত প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও ঘোষণা দিয়েছে যে তারা ‘‘could not independently verify the allegations that were raised at the hearing‘‘ । প্রশ্ন হচ্ছে , ক্ষমতাসীন জোট বা ...