সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

লবিং লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

লবিং ও তদবিরে কি সবকিছুর সমাধান মেলে

পত্রিকার পাতায় খবর পড়লাম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য বিদেশে লবিস্ট নিয়োগকারীদের দেশের কথা চিন্তা করার অনুরোধ জানিয়েছেন । গত সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় তিনি বিদেশি লবিস্ট নিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আল্লাহর ওয়াস্তে দেশটাকে ধ্বংস করবেন না।’ সরকার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখার জন্য যেসব লবিস্ট নিয়োগ করেছিল, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি  জানিয়েছেন। লবিং বিতর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ভালো হতো পররাষ্ট্রমন্ত্রী যদি ব্যক্তি, দল ও সরকারের পক্ষে কোন লবিস্ট, কতদিন, কত অর্থের বিনিময়ে কী কাজ করেছেন, তার বিবরণ প্রকাশ করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেতে তৃতীয় দেশের সহায়তা চাওয়ার যেসব খবর বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা অবশ্য তাঁর বক্তব্যে মেলেনি।   সরকার যদি লবিস্টদের চুক্তি সত্যিই বাতিল করে থাকে, তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়। কেননা, যেসব কাজের জন্য সরকার গোটা পাঁচেক লবিস্ট প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে যেসব কাজ করিয়েছে, তাতে তেমন কোনো ...

ব্লেয়ার কি বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শকের ভূমিকা নিচ্ছেন?

সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার প্রায় অঘোষিত এক সফরে গত সপ্তাহান্তে ঢাকা ঘুরে গেছেন। আগে থেকে এই সফরের কথা বাংলাদেশ সরকার কিম্বা তাঁর ইনিস্টিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জ থেকেও ঘোষণা করা হয় নি। সফরের সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁর এই সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কেও বাংলাদেশ সরকার কিম্বা তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকেও কিছু জানানো হয়নি। তবে ইনিস্টিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জের ওয়েব সাইটে তাঁদের কাজের যে বর্ণনা  দেওয়া আছে তাতে বলা আছে, ’’তাঁরা বিশ্ব জুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের নীতি, কৌশল এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তাঁরা এ কাজে প্রযুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসাবে বিবেচনা করে থাকেন”।  তাঁর এই বেসরকারি সফর সম্পর্কে বাংলাদেশের সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, টনি ব্লেয়ার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক ও ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশ সফরসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু জাদুঘরও পরিদর্শন করেছেন। তবে এসব আনুষ্ঠানিকতার বাইরে তাঁর সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে  কোনো তরফেই কিছু বলা হয়নি। বাংলাদেশে মি ব...

লবিং কখন দেশদ্রোহ, আর কখন নয়?

  ৩০ জানুয়ারি সমকাল-এ `সরকারের বিরুদ্ধে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বিএনপিঃ পররাষ্ট্রমন্ত্রী` শিরোনামে প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে বিএনপি লবিস্ট নিয়োগে ৪০ লাখ ডলারের বেশি খরচ করেছে। পত্রিকান্তরে অবশ্য খরচটা বিএনপি-জামাতের বলে তাঁকে উদধৃত করা হয়েছে। তাঁর কথায়, নিজের দেশের সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য বিরোধীদলের বিদেশে লবিস্ট নিয়োগের ঘটনা নজিরবিহীন। একই দিনে একই কাগজে `চট্টগ্রামে হাছান মাহমুদঃ দেশদ্রোহ করেছেন বিএনপি নেতারা` শিরোনামের আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, তথ্যমন্ত্রী বিটিভির চট্টগ্রাম কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য ধ্বংস করতে বিদেশে দেশের বিরুদ্ধে চিঠি দেওয়া ও লবিস্ট নিয়োগ করা দেশদ্রোহী কাজ।  এর আগে, ২৬ জানুয়ারি, সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, 'বিএনপি ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৪টি এবং ২০১৯ সালে ১টি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করে। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে জামায়াত-বিএনপি ৩টি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করে।' জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ওয়েব সাইটে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ বিধিতে মন্ত্রীদের বিবৃতি দেওয়ার যে হালনাগাদ  বিধান আছে, তাতে `জনস্বার্...

লবিংয়ের সব তথ্যই প্রকাশ করা হোক

বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য বিদেশে কোটি কোটি টাকা খরচের তথ্য প্রকাশ করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে ধন্যবাদ জানানোর কথা ভেবেছিলাম। লবিং বা তদবির বাবদ এসব অর্থ খরচ হয়েছে। কিন্তু সংসদে তাঁর সোমবারের বক্তব্যের যে বিবরণ সংবাদপত্রে পাওয়া গেল তাতে তাঁকে সেই ধন্যবাদ জানানো গেল না বলে দুঃখিত। সংসদে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে বরং তিনি নতুন কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন। আর সংসদের বক্তব্য দেওয়ার পর ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই তিনি সাংবাদিকদের কাছে বিরোধীদল বিএনপির লবিংয়ের খরচের আরেকটি নতুন অংক প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি লিখে এসব টাকার উৎস ও লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত করতে বলবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসদে বলেছেন তিন বছরে বিএনপি দুই মিলিয়ন ( ২০ লাখ) মার্কিন ডলার (প্রায় ১৭ কোটি টাকা) খরচ করেছে । কিন্তু গতকাল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন বিএনপির খরচের পরিমাণ ৩ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ( সাড়ে ৩৭ লাখ) ডলার (৩২ কোয়ি টাকার বেশি। মনে হচ্ছে বিএনপির খরচের হিসাবটাও তাঁর কাছে ঠিকমত নেই। বিএনপি বেআইনিভাবে দেশের থেকে টাকা বিদেশে পাঠিয়ে থাকলে তা অবশ্যই তদন্ত হওয়া উচিৎ। আর বিদেশে লবিংয়ের যৌক্তিকতা প...