স্কুলছাত্র নাইমুল আবরারের অবহেলাজনিত মৃত্যুর মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি হুমকি ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই। একজন স্কুলছাত্রের দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু অবহেলাজনিত হত্যাকান্ড হলে তার বিচার নিশ্চয়ই হওয়া দরকার। কিন্তু, ঘটনাস্থলে অনুষ্ঠানের কোনো পর্যায়েই তিনি উপস্থিত ছিলেন না। সেই হিসাবে সেখানে তাঁর যে সরাসরি কোনো ভূমিকা ছিল না সেকথা মোটামুটি সর্বজনস্বীকৃত। বিপরীতে, এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরকে প্রথম আলোর কন্ঠরোধের আরও একটি চেষ্টা হিসাবে সন্দেহ করার অনেকগুলো কারণ দৃশ্যমান। প্রথমত: কিশোর আলোর প্রকাশক হিসাবে তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনতে হলে বাংলাদেশের যেসব প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর সবকটির প্রধান নির্বাহীরা অভিযুক্ত হবেন। তা সেটি গার্মেন্টস কারখানা হোক, সরকারী দপ্তর হোক, কিম্বা রেল-সড়ক-নৌ-বিমান দূর্ঘটনাই হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব ছাত্র নিহত হয়েছেন সেজন্য কজন উপাচার্ যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে? ভোট আয়োজন নিয়ে যেসব মানুষ নিহত হয়েছেন তার জন্য কখনো কি কোনো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের...