যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না দেওয়ার হুমকি নিয়ে রাজনীতিকেরা যতটা আলোচনা ও বাহাস করছেন , ততটা আসল নিষেধাজ্ঞার বেলায় হয়েছে বলে মনে হয় না । নিষেধাজ্ঞাটি যেহেতু ছিল র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং তার কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে , সম্ভবত সে কারণেই নিষেধাজ্ঞাকে কোনো দল তাদের পক্ষে নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে দাবি করেনি । কিন্তু ভিসার হুমকিকে ক্ষমতাসীন দল খুব জোরেশোরেই দাবি করছে যে এতে বিরোধী দল বেকায়দায় পড়েছে এবং সরকারের নির্বাচন পরিকল্পনার প্রতি এটি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রকাশের সমতুল্য । বিরোধী দলগুলো , এমনকি সরকারের মনোনীত বিরোধী দলও মনে করে , ভিসার হুমকিতে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলই চাপের মুখে পড়েছে । একটি বিদেশি রাষ্ট্রের হুমকিকে স্বাগত জানাতে এ ধরনের জাতীয় ঐকমত্য বিরলই বটে ! সব দেশেই ভিসার আবেদন নানা সময় নানা কারণে প্রত্যাখ্যাত হয় । কাকে নিজেদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে বা হবে না , সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একান্তই সেই দেশের । ২৩ মে যখন ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র দপ্তরের ...