স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বৃহস্পতিবার সংসদে বলেছেন, সরকার রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধে ‘আইনসম্মতভাবে’ আড়ি পাতার ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। সম্ভবত এই প্রথম সরকারের পক্ষ থেকে আড়ি পাতার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হলো। বহুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা চলছে, বিদেশি সংবাদমাধ্যমে এসব সরঞ্জাম সংগ্রহের কথা লেখা হচ্ছে এবং অভিযোগ উঠছে নাগরিকদের মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘনের। গুরুতর লঙ্ঘন এ কারণে যে সংবিধানে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং যোগাযোগর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছে। বিষয়টিতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চয়ই ধন্যবাদ দাবি করতে পারেন। তবে সমস্যা হলো তাঁর বক্তব্যে এখনো অস্পষ্টতা আছে এবং তিনি যাকে আইনসম্মত বলে বর্ণনা করছেন, তা পুরোপুরি আইনসম্মত নয়। তাঁর বক্তব্যে প্রথম অস্পষ্টতার জায়গা হচ্ছে, তিনি বলেছেন আইনসম্মত আড়ি পাতার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর বক্তব্যের আরেকটু পরের দিকে বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশৃঙ্খলা...