সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

হামাস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অপতথ্য যেভাবে ফিলিস্তিন যুদ্ধে জটিলতা বাড়াচ্ছে

দেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে এবং সংঘাতপূর্ণ হয়ে ওঠার আশঙ্কায় যত উদ্বেগই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রহীন ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েলিদের বিপুল বিধ্বংসী ও প্রাণঘাতী সংঘাতকে উপেক্ষা করা অসম্ভব। এই লেখা আপনি যখন পড়ছেন, তখন ইসরায়েলে হামাসের অতর্কিত ও সবচেয়ে বড় হামলা এবং তার পাল্টা প্রতিশোধের অভিযানে ১২ দিনে নিহত মানুষের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি গাজার হাসপাতালও রেহাই পায়নি, যেখানে অন্তত ৫০০ জন নিহত হয়েছেন। সামগ্রিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা সর্বাধিক। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতি তিনজনে একজনই শিশু। আহত মানুষের সংখ্যাও অস্বাভাবিক রকম বেশি। ডাক্তার, জাতিসংঘের কর্মী, সাংবাদিক—কেউই হতাহতের তালিকা থেকে বাদ যাননি। ইসরায়েলের দাবি, তাদের ওপর হামাস যে হামলা চালিয়েছে, তাতে নিহতের সংখ্যা হিটলারের ইহুদি নিধনযজ্ঞের পর এবারই সবচেয়ে বেশি। আর এখন যা ঘটছে, সময়ের দৈর্ঘ্য বিচার ও একক অভিযান হিসাবে এতে প্রাণহানির সংখ্যাও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসন ও দখলদারির পর সব রেকর্ড এখনো ছাড়িয়ে গিয়ে না থাকলেও দ্রুতই তা ছাড়িয়ে যাবে। আয়তনে ঢাকা শহরের (৩০৬ বর্গকিলোমিটার) প্রায় সমান অবর...

এই মৃত্যুর মিছিলের শেষ কোথায়?

যে কোনো প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সশস্ত্র রাষ্ট্রীয়বাহিনীর গুলিতে ৬০ জনের মৃত্যু ঘটলে তাকে ‘ নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ ‘ ছাড়া অন্যকোনোভাবে বর্ণনা করা হয়েছে এমন নজির বিরল। কিন্তু, বিশ্বের র্দীঘতম বেআইনী দখলদারিত্বের অধীনে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনীদের ওপর ইজরায়েল যে নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ চালালো তার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বনেতাদের মধ্যে তেমন একটা ঝাঁঝ নেই। কেননা, ফিলিস্তিনীদের জীবনের কোনো দাম নেই। তার ওপর সেই ফিলিস্তিনীরা যদি গাযার অধিবাসী হন তাহলে সেই জীবনের দাম আরও কম। কেননা, তারা গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হামাসকে বেছে নিয়েছিল। এর আগে হামাসে দুবার ইজরায়েলী সেনাদের অভিযানে কয়েকশ নারী-শিশুসহ সাধারণ ফিলিস্তিনীর মৃত্যুতেও বিশ্বনেতারা শুধু শোক আর উদ্বেগ প্রকাশ করেই দায় সেরেছেন। সবাই মিলে অশান্তির দায় চাপিয়েছেন হামাসের ওপর। সত্তুর বছর আগে ১৯৪৮ এর ১৫ মে ফিলিস্তিনীদের নিজভূমি থেকে উচ্ছেদ করে এবং তাড়িয়ে দিয়ে যে ইজরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা, তার সত্তুরতম বার্ষিকী উদযাপনের দিনে ওই বিতাড়িত ফিলিস্তিনীদের প্রতিবাদ জানানোর অধিকার স্বীকার করতেও এসব নেতাদের অনেকে রাজি নন। ওই দিনটি যে ফিলিস্তিনীদের মহাদূর্যোগের দিন ‘ নাকাবা ‘ সেটি স্...