সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Crisis লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শুধু বিএনপিই কি সংকটে?

নির্বাচনের বছরে দুর্নীতির মামলায় রাজনৈতিক মঞ্চের অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলের শীর্ষ নেত্রীর কারাদণ্ড দেশের রাজনীতিতে যে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে, সে বিষয়ে বিশ্লেষকেরা মোটামুটি একমত। ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান দল, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অবশ্য বলেছেন, খালেদা জিয়ার সাজার কারণে জাতীয় রাজনীতিতে কোনো সংকট হয়নি; বরং বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত হলো। ক্ষমতাসীন দলের সব স্তরের নেতা-কর্মীদের নিত্যদিনের বক্তৃতার বিরাট অংশজুড়ে যখন থাকে শুধু বিএনপির সমালোচনা, সেখানে বিএনপির সংকট কীভাবে জাতীয় রাজনীতির সংকট নয়, সেই ব্যাখ্যা অবশ্য তিনি দেননি। তবে সম্ভাব্য ব্যাখ্যা অনেকগুলোই হতে পারে। প্রথমত, দুর্নীতি, নাশকতা ও হত্যা মামলার চাপে নাজেহাল বিএনপির সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। ২০১৪ সালের বিনা ভোটের নির্বাচনে অংশ না নেওয়াকে তারা ভুল হিসেবে মেনে নিয়েছে, এমন ধারণা এ ক্ষেত্রে প্রবল। তা ছাড়া, পরপর দুবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে দলটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন এবং দলীয় প্রতীক ধানের শীষও হারাতে পারে (স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণে সম্ভবত সেই ঝুঁকি কেটে গেছে)। তবে এ...

ব্যাংকিং আইন সংশোধন নয়, প্রয়োগ প্রয়োজন

সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সম্মেলনে অর্থশাস্ত্র ও নৈতিকতা বিষয়ক বক্তৃতায় বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন দেশের ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতার সংকট চলছে। সংকটের পুরোটাই খেলাপি ঋণকে ঘিরে উল্লেখ করে তিনি বলেন অধিকাংশ ঋণগ্রহীতা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণের অর্থ পরিশোধ না কৌশল জেনে গেছেন। ফলে খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিল করার ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। এটি আর্থিক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় রাজনীতিকরণ ও নিয়ন্ত্রকের ব্যর্থতাই দায়ী। তাঁর কথায় ব্যাংকার, ব্যাংক মালিক বা রাজনৈতিক সংযোগ থাকলেই ঋণ পাওয়ায় বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়। ওই সম্মেলনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান বলেছেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না, এটা এখন বহুল আলোচিত। জনগণের অর্থের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মুহম্মদ মাহবুব আলীও সেখানে বলেছেন, ব্যাংকে এক পরিবার থেকে চার পরিচালক ও একাধিক মেয়াদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে...