সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নিউইয়র্ক টাইমস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নীরবে গণতন্ত্র ধ্বংস, না সুষ্ঠু নির্বাচন

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নানামুখী জল্পনার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দৈনিক দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ২ সেপ্টেম্বর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে ক্ষমতাসীন দলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সদস্যদের কী ধরণের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হচ্ছে, তার একটি বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের একাধিক পত্রিকা অনলাইনে নিউইয়র্ক টাইমসের ওই প্রতিবেদনটির অনুবাদ  প্রকাশ করেছে।  ইত্তেফাক–এর অনলাইনে শিরোনামটির বাংলা করা হয়েছে নীরবে ধ্বংস করা হচ্ছে একটি গণতন্ত্র। মূল শিরোনামের একটি অংশ অনুবাদে বাদ পড়েছে, যাতে ছিল অযুত সংখ্যক (মিলিয়নস) বিচারের মুখোমুখি। বিএনপিকে উদ্ধৃত করে তারা বলেছে, দলটির পঞ্চাশ লাখ সদস্যের আনুমানিক অর্ধেকই মামলার আসামি। কেউ কেউ ডজনখানেক, আবার কেউ কেউ এমনকি  কয়েক শ মামলার আসামি। এদের দিন কাটে আদালতের বারান্দা অথবা কাঠগড়ায়। প্রতিবেদনে বেশ কয়েকজনের অভিজ্ঞতার বিবরণও রয়েছে।  এর ঠিক চারদিন পর ঢাকার পত্রিকা  দৈনিক সমকাল ’পুরোনো মামলা চাঙ্গা, যোগ হচ্ছে নতুনও’ শিরোনামের প্রতিবেদনে লিখেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার এবং এগুলোর  আসামির সংখ্...

গল্প বলার স্বাধীনতা চাওয়া নিয়ে যত কথা

  এমন দিন খুব বেশি একটা আসে না , যেদিন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী পত্রিকায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সামগ্রিকভাবে শিল্পকলা নিয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ পায় । গত ৪ অক্টোবর সেটাই হয়েছে । বিশ্ব জুড়ে অনলাইনে পত্রিকাটি পড়ে প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ পাঠক । সেই নিউইয়র্ক টাইমসে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে , যাতে বাংলাদেশের সিনেমার সাম্প্রতিক কিছু ভালো ও আলোচিত চলচ্চিত্রের কথা উঠে এসেছে । তবে দূর্ভাগ্য ও উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে প্রতিবেদনটির বিচার্য আলোচনা মূলত সেন্সরশিপ , ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং পুলিশ ও কর্তৃপক্ষীয় হয়রানি ।      প্রতিবেদনের শুরুতে বাংলাদেশের তারকা পরিচালক মোস্তফা সারোয়ার ফারুকীর ` শনিবার বিকেল ` ছবিটির ছাড়পত্র   না পাওয়ার কথা বলা হয়েছে । নিউইয়র্ক টাইমসের দিল্লি প্রতিনিধি মুজিব মেশাল ও ঢাকার সাংবাদিক সাইফ হাসনাত তাঁদের যৌথ প্রতিবেদনে বলেছেন , ফারুকী   তাঁর চলচ্চিত্রটির চিত্রায়নের আগেই তার কাহিনির নাট্যরুপের পান্ডুলিপি   তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে অনুমোদন ...