বছরের প্রায় শুরু থেকেই চারিদিকে দু:সংবাদ। অধিকাংশই মুঠোফোনে। সংবাদপত্রের অনলাইন, খবরের পোর্টাল, ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, সাধারণ বার্তা, টেলিফোন – সব মাধ্যমেই এই দু:সংবাদের ছড়াছড়ি। আধুনিককালের মুঠোফোনের পর্দায় আঙ্গুল ঠেলেই এসব মন খারাপের খবর মেলে, কিন্তু আঙ্গুল ঠেলার অভ্যাস তো কেউ ছাড়ি না। দু:সংবাদের স্রোতে সাঁতার কাটার এই অভ্যাসকে এখন বলা হচ্ছে ডুমস্ক্রলিং বা ডুমসার্ফিং। চলতিবছরেই এই শব্দ দুটির আর্বিভাব এবং বিস্তারলাভ ঘটেছে। অভিধানপ্রণেতারা এখনও তা অভিধানে যোগ করেন নি, তবে মেরিয়াম ওয়েবস্টার বলছে তারা এই শব্দগুলোর ওপর নজর রাখছে। নিউজিল্যান্ড অবশ্য গেল সপ্তাহে এই বিশেষণকেই ২০২০ ‘ র শব্দ ( ওয়ার্ড অব দ্য ইয়ার) ঘোষণা করেছে। আমাদের জন্য, অর্থাৎ সংবাদমাধ্যমের জন্য দু:সংবাদ হচ্ছে এই দূর্ভাগ্যই যেন এখন স্থায়ী হতে চলেছে। সাংবাদিকতার জন্য সম্ভবত ২০২০ হচ্ছে সবচেয়ে খারাপ বছর। জাতিসংঘের বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা, ইউনেসকোর হিসাবে চলতিবছরে ৫৯ জন গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে চারজন নারীও আছেন। বাংলাদেশও বাদ যায়নি, প্রাণ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন ...