সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Why the US-Bangladesh deal demands public Scrutiny

  The hastily struck tariff deal with the Trump administration has brought a measure of relief to Bangladesh, both economically and politically. But if the early signs are any indication, the story is far from over. Reports in the media have mostly focused on the positives—most notably, a surge in orders for readymade garments, in some cases rerouted from neighboring countries facing higher tariffs. Some US buyers are now diverting orders to Bangladesh, giving the impression of a short-term boost. Encouraging as this may be for the apparel sector, the bigger picture is still unfolding, and the long-term impact is anything but clear. Trade Adviser Sheikh Bashir Uddin has revealed that the government is working to reduce the US-imposed reciprocal tariff from 20 percent to 15 percent. Speaking to reporters on August 13, he said talks with Washington were ongoing and that a reduction could come before the final agreement. “We hope that the steps we have taken to reduce the US-Banglades...

রাজনৈতিক দলের সংস্কার ও আর্থিক স্বচ্ছতা কত দূর

ফেব্রুয়ারির ১৫ থেকে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পুরো ছয় মাস ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিনিময় এবং সমঝোতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এটি একটি বড় কৃতিত্বই বলতে হবে। অবশ্য স্বাধীনতার ৫৪ বছরের প্রথম কয়েক বছর বাদ দিলে প্রায় পুরোটা সময়ে রাজনীতি প্রধানত: যে দ্বিদলীয় বৃত্তে আবদ্ধ ছিল, তার একটি পক্ষ এখন পলাতক। তাদের প্রকাশ্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় বহুপক্ষীয় আঙ্গিকে রাজনীতির প্রতিদ্বন্দিতা ও সহযোগিতার নতুন রুপ দেখা যাচ্ছে।  প্রায় ডজন তিনেক রাজনৈতিক দলের নেতারা ম্যারাথন আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান, রাষ্ট্রকাঠামো, সংসদ, নির্বাচন ও  বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয়ে প্রহণযোগ্য কিছু সংস্কারের অঙ্গীকার করবেন বলে কথা রয়েছে। এটি আশা জাগানো অগ্রগতি। সব কটি বিষয়ে সবাই একমত না হলেও তাঁরা যে রাজপথে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার বদলে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে সক্ষম, তার প্রমাণ দেওয়ায় তাঁদের সাধুবাদ প্রাপ্য।  তবে হতাশারও যে অনেক কারণ ঘটছে, সেকথাও বলা দরকার। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নৈরাশ্যের বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের স...

ভারতে ’বাংলাদেশি ভাষা’ বিতর্ক, পুশ–ইন ও প্রতিক্রিয়া

  দিল্লি পুলিশ একটি চিঠিতে বাংলা ভাষাকে 'বাংলাদেশি ভাষা' হিসেবে উল্লেখ করায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায় 'বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশি ভাষা বলা কলঙ্কজনক, অপমানকর, দেশবিরোধী এবং অসাংবিধানিক কাজ। এটি ভারতের সব বাংলাভাষী মানুষকে অপমান করে। তারা আমাদেরকে হেয় করে (চিঠিতে) এমন ভাষা ব্যবহার করতে পারে না।'  দিল্লির পুলিশ যে চিঠিতে বাংলাকে বাংলাদেশি ভাষা বলেছে, সেটি বাংলাভাষী কয়েকজনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর উদ্দেশ্যে একটি এফআইআর তদন্তের নথি অনুবাদ সম্পর্কিত। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের দিল্লিতে যে পান্থশালা আছে, সেখানকার কর্মকর্তাদের সাহায্য চাইতেই ওই চিঠি। চিঠিটি জুলাইয়ের ২৯ তারিখের। কিন্তু তার মাসখানেকের আগে থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায় বাংলাভাষী ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশি তকমা দিয়ে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন।  দিল্লিতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার পশ্চিম বঙ্গ ও আসামের রাজ্য বিধানসভার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু মুসলমান বাংলাভাষীদের অবৈধ অভিবাসী হিসাবে চিহ্নিত করে যে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার কাজ শুরু কর...

From rage to reform: Is Bangladesh ready to rise?

As we mark the first anniversary of the people's uprising—led by the country's youth, fondly known as Generation Z—it is clear that the greater task now lies ahead: rebuilding a nation with little preparation for the monumental responsibility. But then again, how could anyone truly prepare for an uprising of such magnitude, one that surged like a tsunami, defying all expectations? Over the past 15 years, prior to the changeover, the opposition—most prominently the BNP—tried repeatedly, with meticulously crafted strategies, to unseat the regime. Yet none of their efforts could rival the spontaneous July-August uprising, which reshaped the political landscape in ways that no planned agitation ever could. By systematically denying citizens their right to vote in three consecutive elections and holding power for fifteen years and seven months through sustained repression, Sheikh Hasina secured her place among the world's most notorious autocrats. And yet, even her loyal Special...

সবার অভিন্ন লক্ষ্য ছিল স্বৈরাচারের পতন

  টানা তিনটি জাতীয় নির্বাচনে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে এবং দমন–পীড়নের নির্লজ্জ রূপ প্রদর্শন করে ১৫ বছর ৭ মাস প্রধানমন্ত্রীত্ব ধরে রাখার মাধ্যমে শেখ হাসিনা বিশ্বের অন্যতম নিকৃষ্ট স্বৈরাচারী শাসকদের কাতারে নিজের অবস্থান পাকা করেছেন। ছাত্র–গণঅভ্যুত্থানের মুখে তাঁর অনুগত বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী পর্যন্ত তাঁকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। এক বছর আগে, ঠিক এই দিনে, তিনি পদত্যাগ করে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ভারতে চলে যান। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) একটি গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়, সেদিনই গণভবন, সংসদ ভবনসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় তাঁর ও পরিবারের নিরাপত্তায় থাকা এসএসএফ সদস্যদের অস্ত্র ও সরঞ্জাম লুট হয়ে যায় (সূত্র: ইত্তেফাক, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪)। জনতার ক্ষোভের মাত্রা বোঝাতে এই একটি ঘটনাই যথেষ্ট নয়। জুলাই ও আগস্টের প্রথম পাঁচ দিনের আন্দোলনের হতাহতের পরিসংখ্যান এবং আন্দোলনের ধারাবাহিকতাই প্রমাণ করে জনগণ আর চুপ করে থাকার অবস্থায় ছিল না। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য কোটাপুনঃবহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশের প্রতিবাদে ছাত্ররা ১ জুলাই রাজপথে নামে। ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতি ...