প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন, কিন্তু তীক্ষ্ণ। ফলে, যাঁকে উদ্দেশ্য করে এই আয়োজন তাঁর ওপর প্রতিবাদ শুরুর আগেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এই প্রতিবাদের কেন্দ্র হচ্ছে লন্ডন এবং এর লক্ষ্য হলেন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লন্ডনের আকাশে প্রবেশ করার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর এয়ারর্ফোস ওয়ান বিমানের জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই হয়তো তাঁর চোখে পড়বে ক্ষুব্ধ লন্ডনবাসীরা তাঁকে কিধরণের উপহাসের পাত্র বিবেচনা করেন। প্রতিবাদের আয়োজকদের ভাষায় ব্যাক্তি ডোনাল্ড জে ট্রাম্প একজন বর্ণবাদী, মুসলিম ও নারী বিদ্বেষী, বিভেদের রাজনীতিতে বিশ্বাসী, এবং ভীষণরকম অহংকারী। অন্যদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য এবং অপমান করায় বিকৃত আনন্দ উপভোগ করেন। টুইটারে তাঁর টুইটগুলো এসবেরই স্বাক্ষ্য বহন করে। সুতরাং, বিক্ষোভের আয়োজনকারীরা তাঁকে একইধরণের ভাষায় স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন। লন্ডনের প্রতিবাদে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেবেন বলে অধিকাংশের ধারণা। তবে, প্রতিবাদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকছে শিশু ট্রাম্পের চেহারায় তৈরি এক বিশালাকায় বেলুন। এই বেলুন উড়বে লন্ডনের আকাশে যাতে তা শহরের নানা প্রান্ত থেকে দেখা য...